টানা ষষ্ঠ মাস রপ্তানি আয়ে পতন, তবে জানুয়ারিতে ১১% বৃদ্ধি

প্রকাশ :

সংশোধিত :

টানা ষষ্ঠ মাসে পণ্য ও সেবা রপ্তানি থেকে বাংলাদেশের আয় কমেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত জানুয়ারি মাসে রপ্তানি আয় হয়েছে ৪৪১ কোটি ৩৬ লাখ ডলার। এটি ২০২৫ সালের জানুয়ারির তুলনায় ২ কোটি ২৩ লাখ ডলার বা শূণ্য দশমিক ৫ শতাংশ কম। আগের বছরের জানুয়ারিতে রপ্তানি আয় ছিল ৪৪৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

রপ্তানি কমার প্রবণতা গত বছরের আগস্ট থেকে চলছে, যদিও পতনের হার কিছুটা কমেছে। ডিসেম্বর মাসে রপ্তানি আয় ৩৯৭ কোটি ডলার ছিল, যা জানুয়ারিতে ৪৪ কোটি ডলার বেড়ে ৪৪১ কোটি ৩৬ লাখ ডলারে পৌঁছেছে। এক মাসের ভিত্তিতে এটি ১১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধিকে ইঙ্গিত করে।

অর্থবছরের শুরুতে, জুলাইয়ে রপ্তানি ২৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল। এরপর আগস্টে ২ দশমিক ৯৩ শতাংশ, সেপ্টেম্বর ৪ দশমিক ৬১ শতাংশ, অক্টোবর ৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ এবং নভেম্বরেও ৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ কমেছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সাত মাসের মোট রপ্তানি আয় ২ হাজার ৮৪১ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ে ২ হাজার ৮৯৭ কোটি ডলারের তুলনায় ১ দশমিক ৯৩ শতাংশ কম। এর বিপরীতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে রপ্তানি আয় ১১ দশমিক ৬৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল।

রপ্তানি আয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে তৈরি পোশাক খাত। গত জানুয়ারিতে এ খাত থেকে ৩৬১ কোটি ৪৭ লাখ ডলার আয় হয়েছে, যা আগের বছরের জানুয়ারির তুলনায় ১ দশমিক ৩৫ শতাংশ কম। নিট পণ্যের রপ্তানি কমেছে ২.৬১ শতাংশ এবং ওভেন শিপমেন্ট ০.০৭ শতাংশ কমেছে।

কৃষিপণ্যের রপ্তানি প্রায় ৭ শতাংশ কমলেও ওষুধ রপ্তানি ১৩ শতাংশ, হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ ১৩ শতাংশ, পাট ও পাটজাত পণ্য ১২ শতাংশ এবং চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৪ হাজার ৮২৮ কোটি ডলারের পণ্য ও সেবা রপ্তানি করেছিল। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৩ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার। 

 

সর্বশেষ খবর