আমন মৌসুমে চাল ক্রয়ে ব্যর্থ হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারী খাদ্য সচিবের

প্রকাশ :

সংশোধিত :

চলমান আমন মৌসুমে সরকারি গুদামে গুণগতমানসম্পন্ন চাল সংগ্রহে ক্রয়ে ব্যর্থ হলে এবং কোনো ধরনের অনিয়ম বা অবহেলা বরদাশত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন খাদ্য সচিব মো. ফিরোজ সরকার। এ জন্য তিনি জেলা থেকে মাঠ পর্যায় পর্যন্ত মনিটরিং বাড়াতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। তিনি চালের পাশাপাশি কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের তাগিদ দিয়েছেন। 

তিনি বলেন, গুণগত মান ঠিক রেখে আমন চাল ও ধান সংগ্রহ করতে হবে। অনিয়ম ও দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে না পারলে ব্যর্থদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 তিনি শনিবার (৬ ডিসেম্বর)  ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করার সময় এ সব কথা বলেন। 

এ সময় তিনি ময়মনসিংহ বিভাগের ৪ জেলায় চাল সংগ্রহ কার্যক্রম নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। খাদ্য সচিব আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে ধান এবং ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে চাল ক্রয় সম্পন্ন করার তাগিদ দিয়েছেন।

মতবিনিময় সভায় খাদ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জামাল হোসেন, ময়মনসিংহের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মিজ্ তাহমিনা আক্তার, খাদ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (সংগ্রহ) মো. মনিরুজ্জামান, ময়মনসিংহের আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আশরাফুল আলম, ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান, ময়মনসিংহের জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মাহমুদুল হাছান, শেরপুরের জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. নাজমুল হক ভূঁইয়া, নেত্রকোণার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. মোয়েতাছেমুর রহমান, জামালপুরের জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আসাদুজ্জামান খান, বিভিন্ন উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক এবং বিভিন্ন গুদামের ওসিএলএসডিরা উপস্থিত ছিলেন। খাদ্য সচিব এর আগে ময়মনসিংহের স্টিল সাইলো ও সিএসডি পরিদর্শন করেন।

এদিকে শনিবার (০৬ ডিসেম্বর)  পর্যন্ত ময়মনসিংহ বিভাগের ৪ জেলায় ৯৬ হাজার ২২৬ টন ৮৬০ কেজি আমন চাল ও ৫ হাজার ৪৪০ টন ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ২৩ হাজার ৯৬৭ টন ৩০৫ কেজি চাল ও ৯০৭ টন ২০০ কেজি ধান কেনা হয়েছে। এর মধ্যে ময়মনসিংহ জেলায় ৩৯ হাজার ৫৫৯ টন ৮৬০ কেজি চাল ও ২ হাজার ২৫৬ টন ধানের বিপরীতে ১০ হাজার ৯৯৩ টন ৬৬৫ কেজি চাল ও ৫৭৬ টন ধান কেনা হয়েছে। নেত্রকোণায় ২৭ হাজার ৫৬ টন চাল ও ১ হাজার ২২৭ টন ধানের বিপরীতে ৬ হাজার ১১৯ টন ৩৮০ কেজি চাল ও ১৪৫ টন ২০০ কেজি ধান কেনা হয়। জামালপুরে ১৭ হাজার ৩৯১ টন চাল ও ১ হাজার ১০৫ টন ধানের বিপরীতে ৩ হাজার ৬২৯ টন ৭০০ কেজি চাল ও ১২৩ টন ধান কেনা হয়েছে। শেরপুরে ১২ হাজার ২২০ টন চাল ও ৮৫২ টন ধানের বিপরীতে ৩ হাজার ২২৪ টন ৫৬০ কেজি চাল ও ৬৩ টন ধান কেনা হয়।

সর্বশেষ খবর