অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতিরক্ষা চুক্তি ‘ধারাবাহিক কাজের অংশ’: জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা

প্রকাশ :
সংশোধিত :

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদের শেষ দিকে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা খাতে আলোচনা ও চুক্তি করা একটি ‘ধারাবাহিক কাজের অংশ’। তিনি জানান, এসব প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই চলমান এবং নিয়মিতভাবে এগোচ্ছে।
আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এটা চলমান প্রক্রিয়া।”
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, যার নেতৃত্বে ছিলেন মুহাম্মদ ইউনূস, সামরিক খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। এর মধ্যে ‘ইউরোফাইটার টাইফুন’ যুদ্ধবিমান কেনার প্রক্রিয়া অনেকদূর এগিয়ে গেছে। গত ৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ইতালির লিওনার্দো এসপিএ কোম্পানির সঙ্গে আগ্রহপত্রে স্বাক্ষর করেছে। ইউরোফাইটারটি লিওনার্দো এসপিএ, বিএই সিস্টেমস এবং এয়ারবাস ডিফেন্স অ্যান্ড স্পেসের কনসোর্টিয়ামের অধীনে তৈরি ও বাজারজাত হয়।
ড্রোন উৎপাদনের জন্য সম্প্রতি চীনের সঙ্গে সরকারি পর্যায়ে চুক্তি হয়েছে, যেখানে মিরসরাই অর্থনৈতিক জোনে কারখানা স্থাপনের জন্য জমি বরাদ্দের কথাও বলা হয়েছে।
এছাড়া পাকিস্তান থেকে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান, চীন থেকে জে-১০ সি, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে সাবমেরিন, তুরস্ক থেকে টি-১২৯ অ্যাটাক হেলিকপ্টার, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্ল্যাক হক মাল্টিরোল হেলিকপ্টার এবং ৬৫০ কোটি টাকায় যুদ্ধজাহাজ বানৌজা খালিদ বিন ওয়ালিদের সক্ষমতা বৃদ্ধির মতো প্রকল্পের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে।
সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এসব উদ্যোগ যদি পরবর্তী সরকার এগিয়ে না নেয়, তাহলে কী হবে? খলিলুর রহমান উত্তর দেন, “এটা অনুমাননির্ভর প্রশ্ন।”
সম্প্রতি তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নির্মাতা বোয়িং থেকে উড়োজাহাজ কেনার আলোচনায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, কোনো দেশের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থার পরিচালনা পর্ষদে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সদস্য হওয়ার নজির নেই। এ বিষয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা সংক্ষেপে বলেন, “দুনিয়ার সব দেশে বিমান নাই।”


For all latest news, follow The Financial Express Google News channel.