ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ড: আরেকটি খণ্ডিত দেহাবশেষ উদ্ধার

প্রকাশ :

সংশোধিত :

ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ উদ্ধারের স্থান থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে একটি খণ্ডিত দেহাবশেষ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এতে নিখোঁজ আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির বিষয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

রোববার হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় জানায়, পিনেলাস কাউন্টির ইন্টারস্টেট ২৭৫ ও ৪ নম্বর স্ট্রিট নর্থ সংলগ্ন জলাশয় থেকে যৌথ অভিযানে দেহাবশেষটি উদ্ধার করা হয়। অভিযানে হিলসবরো ও পিনেলাস কাউন্টি শেরিফের সদস্যরা অংশ নেন।

পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষ বর্তমানে মেডিক্যাল এক্সামিনারের দপ্তরে রাখা হয়েছে এবং ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এটি নারী না পুরুষের দেহাবশেষ, তা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানানো হবে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, নিখোঁজ ব্যক্তিদের তালিকার সঙ্গে দেহাবশেষের কোনো মিল আছে কি না, সেটি তদন্তে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

গত ১৬ এপ্রিল ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার দুই বাংলাদেশি গবেষক জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি নিখোঁজ হন। পরদিন তাদের এক পারিবারিক বন্ধু বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানান এবং ২১ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে নিখোঁজের তথ্য প্রকাশ করে।

এরপর এক সপ্তাহের বেশি সময় পর শুক্রবার লিমনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার রুমমেট হিশাম সালেহ আবুঘরবেহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের সূত্রে হাওয়ার্ড ফ্রাঙ্কল্যান্ড ব্রিজ এলাকা থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অন্যদিকে শনিবার বৃষ্টির ভাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করলেও মরদেহ এখনো পাওয়া যায়নি।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্দেহভাজনকে হেফাজতে রাখার আবেদনে পুলিশ উল্লেখ করেছে, লিমনের মরদেহ সরিয়ে ফেলার মতো বৃষ্টির মরদেহও একইভাবে গোপন করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে তাদের বিশ্বাস। নতুন দেহাবশেষ উদ্ধারের ঘটনায় সেই সন্দেহ আরও জোরদার হয়েছে।

সর্বশেষ খবর