ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটি ও এলজিইডির সমন্বয়ে আশুলিয়ায় নতুন সড়কের উদ্বোধন

প্রকাশ :

সংশোধিত :

আশুলিয়াকে আধুনিক, পরিকল্পিত ও যোগাযোগ-সমৃদ্ধ অঞ্চলে রূপান্তরের পথে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক যুক্ত হয়েছে। ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটি ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উদ্যোগে উন্নয়ন করা দেওয়ান বাড়ি–কাকাবো–দত্তপাড়া-ডিএসসি সড়কের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২০ মে) আশুলিয়ায় আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল, রেজিস্ট্রার ড. মোহাম্মদ নাদির বিন আলী এবং প্রক্টর ড. শেখ মুহাম্মদ আল্লাইয়া। এছাড়াও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, প্রশাসনের কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটি ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নিজস্ব অর্থায়নের পাশাপাশি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর-এর সরকারি বাজেট বরাদ্দ ও কারিগরি সহযোগিতায় সড়কটির উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, এই সড়কের উন্নয়ন শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন নয়, বরং এটি আশুলিয়ার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি বলেন, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা শিক্ষা, ব্যবসা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও সম্প্রসারিত করবে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার পাশাপাশি বেসরকারি খাতের দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ একটি অঞ্চলের পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটির মতো উদ্যোগ আশুলিয়ার উন্নয়নকে আরও গতিশীল করছে।

দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এ সড়ক চালুর ফলে স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ব্যবসায়ীদের যাতায়াত সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজার, কর্মস্থল ও বিভিন্ন সেবাকেন্দ্রে যোগাযোগ ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান মো. সবুর খান বলেন, ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটির লক্ষ্য শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়; বরং স্থানীয় মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, শিক্ষা সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই নগরায়ণের মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক স্মার্ট কমিউনিটি গড়ে তোলা।

তিনি বলেন, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণকে একত্র করে একটি অঞ্চলকে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। আশুলিয়াকে আধুনিক, মানবিক ও জ্ঞানভিত্তিক অঞ্চলে রূপান্তরের লক্ষ্যে ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটি ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।

বক্তারা জানান, সড়কটির উন্নয়নের ফলে স্থানীয় ব্যবসা, পরিবহন ও সেবা খাতে নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে আশুলিয়ায় পরিকল্পিত নগরায়ণ ও আধুনিক অবকাঠামো উন্নয়নেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব ও স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকলে আশুলিয়া ভবিষ্যতে বাংলাদেশের স্মার্ট ও টেকসই নগর উন্নয়নের একটি কার্যকর উদাহরণ হয়ে উঠতে পারে।

সর্বশেষ খবর