কাওরানবাজারে মোবাইল ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

প্রকাশ :

সংশোধিত :

জাতীয় ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) স্থগিত এবং গ্রেপ্তার হওয়া ব্যবসায়ীদের মুক্তিসহ কয়েকটি দাবিতে আন্দোলনরত মোবাইল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে।

আজ রোববার (০৪ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর ব্যস্ত কাওরানবাজার সোনারগাঁও ইন্টারসেকশন ‘গ্রে মার্কেটের’ মোবাইল ব্যবসায়ীরা অবরোধ করে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। পরে পুলিশ লাঠিপেটা, টিয়ারশেল, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ কমিশনার ফজলুল করিম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করেছি।” কিছু ব্যবসায়ীকে পুলিশের প্রিজন ভ্যানে তুলে নেওয়া হয়। কিছু সময়ের জন্য কারওয়ান বাজার মোড়ে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়।

পরবর্তীতে সেনাবাহিনীর সদস্যদের ঘটনাস্থলে অবস্থান করতে দেখা যায়। আন্দোলনকারীদের একটি অংশ বসুন্ধরা শপিংমলের সামনে অবস্থান নেয়, অন্য অংশ হাতিরপুল থেকে মোতালেব প্লাজার দিকে চলে যান।

উল্লেখ্য, গত ১ জানুয়ারি এনইআইআর পদ্ধতি চালু হওয়ার পরই মোবাইল ব্যবসায়ীরা বিটিআরসি কার্যালয় হামলা চালায়। সেই ঘটনায় ৪৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রোববার ব্যবসায়ীরা সোনারগাঁও ক্রসিং অবরোধ করে গ্রেপ্তারদের মুক্তি, এনইআইআর বাস্তবায়ন আরও তিন মাস পিছিয়ে দেওয়া, পুরনো ফোন আমদানির সুযোগ দেওয়া এবং মোবাইলের আমদানি শুল্ক কমানোর দাবি জানান।

আইসিটি বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ তৈয়্যব বলেন, “আমরা কাউকে অপরাধ বা প্রতারণা করার অনুমতি দিতে পারি না। আমরা শুল্ক কমিয়েছি, ব্যবসার সুযোগ দিয়েছি, তবুও কেউ আইন ভঙ্গ করলে সরকারের পদক্ষেপ থাকবে।”

এনইআইআর পদ্ধতির বিরোধিতায় গত কয়েকদিন ধরে আনঅফিসিয়াল মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ করছে। সরকারের অভিযোগ, তারা অবৈধ রুটে নিম্নমানের, ক্লোনড, রিফারবিশড ও পুরনো ফোন দেশে নিয়ে আসছে।

সর্বশেষ খবর