বাকৃবিতে আইইএলটিএস রেজিস্ট্রেশন সেন্টার স্থাপনের লক্ষ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত

প্রকাশ :
সংশোধিত :

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে(বাকৃবি) আইইএলটিএস রেজিস্ট্রেশন সেন্টার স্থাপনের লক্ষ্যে বাকৃবি এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। শনিবার (৯মে) ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডে কেয়ার সেন্টারে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া এবং ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মি. স্টিফেন ফোর্বস। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো শহীদুল হক, সহযোগী ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ, উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম,ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের এবং ইন্সটিটিউটের শিক্ষক ও কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, 'আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এই বিষয়ে উৎসাহিত করতে আমরা বিশেষ সচেতনতামূলক প্রোগ্রামের আয়োজন করব। পাশাপাশি কেবল আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ই নয়, বরং সমগ্র ময়মনসিংহ অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা যেন এখানে এসে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে সে লক্ষ্যে আমাদের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।'
বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, 'আমি প্রত্যাশা করি ব্রিটিশ কাউন্সিল এবং আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং টেকসই সম্পর্ক গড়ে উঠবে। আজ আমরা আইইএলটিএস রেজিষ্ট্রেশন সেন্টার স্থাপন দিয়ে এই যাত্রা শুরু করছি এবং আমি নিশ্চিত যে ভবিষ্যতে আমরা একসাথে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার সুযোগ পাব।'
ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস বলেন, 'এই রেজিস্ট্রেশন সেন্টারের প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় লেগেছে। কারণটি হলো আমাদের পরীক্ষার নিরাপত্তা আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি আমরা এই নিরাপত্তা বজায় রাখতে না পারি এবং মানুষ যদি এর ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলে, তবে পুরো প্রক্রিয়াটিই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।'
তিনি আরও বলেন,'ব্রিটিশ কাউন্সিল ইংরেজি ভাষাকে উৎসাহিত করে, তবে কেবল আমাদের মাতৃভাষা হিসেবে নয় বরং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ, শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যম হিসেবে। আমরা ইংরেজিকে সর্বজনীন জ্ঞান অর্জনের একটি সেতুবন্ধন মনে করি। পাশাপাশি আমরা মাতৃভাষা ও অন্যান্য ভাষাকেও সমানভাবে সম্মান করি এবং প্রতি বছর বাংলাদেশের সাথে মিলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করি।'


For all latest news, follow The Financial Express Google News channel.