অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ ১৮ দিনে ১ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়ালো

প্রকাশ :

সংশোধিত :

জেমস ক্যামেরন এবং তার সিনেমা ‘অ্যাভাটার’, সিনেমাপ্রেমীদের হৃদয়ে এই দুই নামই করে নিয়েছে বিশেষ জায়গা। আর এর শুরু হয়েছিল ২০০৯ সালে। কল্পবিজ্ঞানধর্মী সিনেমা ‘অ্যাভাটার’ দিয়ে তিনি বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন। এরপর ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ মুক্তির পর সমালোচনার মধ্যেও ছবিটির বক্স অফিসে সাফল্য বজায় রেখেছে এবং আয় বাড়ছে অপ্রতিরোধ্য গতিতে।

মাত্র ১৮ দিনের মধ্যে ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ বিশ্বব্যাপী ১ বিলিয়ন ডলারের ঘর পেরিয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত এর মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক শূণ্য ৮ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে উত্তর আমেরিকায় আয় ৩০৬ মিলিয়ন ডলার, এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এসেছে ৭৭৭ দশমিক ১ মিলিয়ন ডলার।

এটি ‘অ্যাভাটার’ সিরিজের তৃতীয় সিনেমা। ২০২২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ মাত্র ১৪ দিনে এক বিলিয়ন ডলার আয়ের ক্লাবে প্রবেশ করেছিল। প্রথম ‘অ্যাভাটার’ সিনেমা সেই মাইলফলক ছুঁয়েছিল ১৭ দিনে।

আগের দুটি ছবিই দীর্ঘদিন বড় পর্দায় রাজত্ব করে টানা সাত সপ্তাহ ধরে বক্স অফিসের শীর্ষে ছিল। শেষ পর্যন্ত সেগুলো চলচ্চিত্র ইতিহাসের সর্বোচ্চ আয় করা ছবির তালিকায় জায়গা করে নেয়। প্রথম ‘অ্যাভাটার’-এর আয় হয়েছিল ২.৯ বিলিয়ন ডলার, আর এর সিকুয়েল আয় করেছিল ২.৩ বিলিয়ন ডলার।

‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ বিশ্বব্যাপী আয়ে ২ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছুঁতে পারবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত। এটি মূলত নির্ভর করবে আন্তর্জাতিক দর্শকের উপর, কারণ আগের দুটি ছবিই বিদেশি বাজারের দর্শকদের কাছে অভূতপূর্ব সাফল্য পেয়েছিল। প্রথম ‘অ্যাভাটার’ শুধু আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ২.১ বিলিয়ন ডলার আয় করেছিল, আর ‘দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ বিদেশি বাজার থেকে তুলেছিল ১.৬৫ বিলিয়ন ডলার।

উল্লেখ্য, ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ ২০২৫ সালে ডিজনির তৃতীয় ছবি যা এক বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছে। একই বছরে এর আগে ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’ এবং ‘জুটোপিয়া ২’ও এই মাইলফলক স্পর্শ করেছিল।

 

সর্বশেষ খবর