সহকারী শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশপ্রাপ্ত সবাইকে নিয়োগের আশ্বাস শিক্ষামন্ত্রীর

প্রকাশ :

সংশোধিত :

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ পাওয়া প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার প্রার্থীর কাউকে বাদ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

আজ রোববার (৩ মে) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের শিক্ষা মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, প্রায় ১৪ হাজার ৩০০-এর বেশি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে এবং এ নিয়ে কিছু প্রশ্ন থাকলেও কাউকেই বাদ দেওয়া হচ্ছে না। সবাই নিয়োগের সুযোগ পাবেন।

কবে তারা যোগদান করতে পারবেন এ প্রশ্নে তিনি জানান, খুব শিগগিরই যোগদান প্রক্রিয়া শুরু হবে। সচিবালয়ে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ফাইল পর্যালোচনা করে বাকি প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া দেশের ৬১ জেলায় গত ৯ জানুয়ারি একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উত্তীর্ণ ৬৯ হাজারের বেশি প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হয়। পরবর্তীতে চূড়ান্তভাবে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। তবে এখনো তাদের নিয়োগ চূড়ান্ত হয়নি।

ডিসি সম্মেলনের পর সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকভাবে তাদের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে যোগ্যতা যাচাইয়ের বিষয়টি থাকবে। প্রশিক্ষণকালীন পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, যোগদানের পর প্রার্থীদের পিটিআই প্রশিক্ষণ নিতে হবে। সেখানে কেউ ব্যর্থ হলে তিনি শিক্ষক হিসেবে থাকতে পারবেন না। এছাড়া সরকারি নিয়ম অনুযায়ী চাকরিতে যোগদানের পর দুই বছর সফলভাবে দায়িত্ব পালন করলে তাদের স্থায়ী করা হবে।

সবকিছুই দেশের শিক্ষার মান উন্নয়নের স্বার্থে করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যোগ্য শিক্ষকরাই যেন নিয়োগ পান এবং শিক্ষার্থীরা ভালো শিক্ষা পায়, সেটিই সরকারের লক্ষ্য।

ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আব্দুল খালেক এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ খবর