বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার বিক্রি সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রকাশ :

সংশোধিত :

বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশি মালিকানাধীন কোম্পানির শেয়ার বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করা আরও সহজ করেছে।

এখন থেকে কোনো বিদেশি বিনিয়োগকারী এক কোটি টাকা পর্যন্ত শেয়ার কিনতে চাইলে তার জন্য কোনো নিরীক্ষিত প্রতিবেদনের প্রয়োজন হবে না। এছাড়া কোনো অনুমতি ছাড়াই শেয়ার বিক্রি থেকে পাওয়া সর্বোচ্চ ১০০ কোটি টাকা মূলধন দেশে ফেরত নিতে পারবে। তবে এই ক্ষেত্রে সম্পদ মূল্যায়নের প্রতিবেদন থাকা বাধ্যতামূলক। উভয় সুবিধা পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নয় এমন প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য হবে।

বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এই নতুন নিয়মের সার্কুলার আজ সোমবার (৯ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংক জারি করেছে। এর আগে অনুমতি ছাড়া বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সর্বোচ্চ ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত মূলধন দেশে ফেরত নিতে পারতেন; নতুন নিয়মে সীমাটি ১০০ কোটি টাকা করা হয়েছে।

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, ‘‘বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশ্বাসযোগ্য পরিবেশ তৈরি তখনই সম্ভব, যখন তারা বিনিয়োগের প্রতিটি ধাপ সহজভাবে সম্পন্ন করতে পারেন। অনুমোদনের জট কমানো, বিক্রয়লভ্য অর্থ দ্রুত দেশে আনা, প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়া সহজ করা এবং বিনিয়োগ থেকে প্রস্থানের ধাপগুলো সরল করা এই লক্ষ্য পূরণে সহায়ক।’’

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শেয়ার বিক্রিতে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে চুক্তি থাকতে হবে এবং সম্পদের মূল্য বাজার দর অনুযায়ী সঠিক হতে হবে। শেয়ার বিক্রিতে নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীর ভিত্তিতে নিট সম্পদমূল্য (এনএভি), বাজারমূল্য বা ডিসকাউন্টেড ক্যাশ ফ্লো (ডিসিএফ) পদ্ধতি প্রযোজ্য থাকবে।

প্রয়োজনীয় নথি ঠিক থাকলে ব্যাংকগুলো ৪৫ দিনের মধ্যে শেয়ার হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবে। শেয়ার বিক্রির অর্থ পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে বিদেশি বিনিয়োগকারীর কাছে পাঠানো যাবে। এছাড়া সব ধরনের লেনদেনের তথ্য প্রক্রিয়া শেষের ১৪ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রতিবেদন আকারে জমা দিতে হবে।

সর্বশেষ খবর