সরকারি চাকরিজীবীদের পে-কমিশনের কাজ চলছে: অর্থ উপদেষ্টা

ফাইল ছবি।
ফাইল ছবি।

প্রকাশ :

সংশোধিত :

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো গঠনে পে-কমিশন বাস্তবিক (সাবস্টেনটিভ) কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।

তবে তা অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বাস্তবায়নের প্রশ্নে তিনি বলছেন, বাস্তবায়নের ব্যাপারটা ‘অন্য জিনিস’।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে বেতনকাঠামো নিয়ে সাংবাকিদের প্রশ্নবাণে পড়েন সালেহউদ্দিন আহমেদ। 

এক সাংবাদিক জানতে চান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে পে-কমিশনের নতুন বেতনকাঠামো আলোর মুখ দেখবে কি না?

এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে সালেহউদ্দিন বলেন, “আমি তো বললাম তো রিপোর্ট পেলেই তো বলব। এখন ইমপ্লিমেন্টেশনের ব্যাপার হলো অন্য জিনিস। একটা সাবস্টেনটিভ কাজ হচ্ছে। এটা খুব ডিটেইল করতে হয়।

“আর আপনারা জানেন তারা তো ওই কমিশনের কাছে কিন্তু অনেকে রিপ্রেজেন্টেশন পাঠিয়েছে, অনেকে দেখা করেছে; আমরা বলেছি যে, বিভিন্ন কমিটি করেছে ওপেন ইন্টারঅ্যাকশন।”

কবে নাগাদ প্রতিবেদন মিলবে তা স্পষ্ট করেননি অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, “পে স্কেল নিয়ে আমি যেদিন বলার বলব। পে স্কেলটা পে কমিশনটাতে কাজ করছে; এটা একেবারে একদম থামে নাই তারা। নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছেন তারা। বলছেন, আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছেন। কী করছেন না করছেন, সেটা আমাদের ব্যাপার না।

“কমিশনের রিপোর্টটা আমি আশা করছি যে, কমিশন অফিসের সাথে কাল-পরশু কথা হবে। এটাতে এখন ২১ জন মেম্বার, তারা সবকিছু বিচার-বিশ্লেষণ করে সেটার সাথে সাথে আবার ইসের তো আসবে জুডিশিয়ারির রিপোর্টটা আলাদা। আবার ডিফেন্সের জন্য একটা সাব কমিটি তো আছে। ওইটা তিনটা ইসে (একত্র) করে আমাদের কাছে, সরকারের কাছে দেবে।”

গত বছরের ২৭ জুলাই সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানকে প্রধান করে গঠিত এ পে কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। তবে কবে নাগাদ প্রতিবেদন মিলবে তা নিয়ে সংশয় কাটেনি। তাছাড়া প্রতিবেদন দিলেও তা বাস্তবায়ন নিয়েও রয়েছে শঙ্কা।

নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে জাতীয় বেতন কমিশনে পূর্ণ সভা হয় বৃহস্পতিবার। এর মধ্যে গত শনিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, নতুন বেতনকাঠামো এ সরকারের আমলে ঘোষণা ‘সম্ভব নয়’।

এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন বলেন, “গভর্নর যদি পে স্কেল, গভর্নর হ্যাজ নাথিং টু ডু উইথ দ্য পে স্কেল।

“গভর্নর তো তার বাংলাদেশ ব্যাংক সম্বন্ধে বলতে পারতো, বলতে পারে; কিন্তু পে স্কেলে তো তার ইসে না। পে স্কেল সম্পূর্ণ সরকারের ব্যাপার।”

ইরান ও ভেনেজুয়েলায় অস্থিরতার কারণে জ্বালানি নিয়ে কোনো সংকটের শঙ্কা আছে কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “না জ্বালানি তো... ভেনেজুয়েলা ইন্ডিপেন্ডেন্ট অব ভেনেজুয়েলা (স্বাধীনতা সংক্রান্ত বিষয়)। ভেনেজুয়েলা তো একটা হুট করে একটা…আমেরিকা কীভাবে ডিল করে, সে বিষয়।

“তবে জ্বালানির ব্যাপারে একটা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা হয়েছে। কয়েকদিন আগে একটা প্রেজেন্টেশন দেওয়া হয়েছে, আমিও ছিলাম সেখানে। কারণ জ্বালানি তো আমাদের একটা বড় চ্যালেঞ্জ। জ্বালানি যদি আমরা এনশিউর না করতে পারি- লোকাল প্রোডাকশন, জ্বালানির দুইটা দিক আছে- পাওয়ার এবং এনার্জি, তাই না? একটা ইলেকট্রিসিটি, আরেকটা হলো এনার্জি; ওই দুইটা দিকে একটা কমপ্রিহেনসিভ ইসে (পরিকল্পনা) করা হয়েছে।" 

সর্বশেষ খবর